পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির জানিয়েছেন, ভারতে গ্রেপ্তার হওয়া ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সালসহ দুজনকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দ্রুত দেশে ফেরত আনা হবে।
সোমবার (৯ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, ‘হাদি হত্যার আসামি ফয়সাল ও আলমগীরকে দেশে আনার ক্ষেত্রে কূটনৈতিকভাবে কাজ চলছে। আশা করা যাচ্ছে, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।’
এদিকে হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সালসহ ভারতে গ্রেপ্তার দুজনকে বাংলাদেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে।
আইএসপিআর জানায়, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) তথ্যের ভিত্তিতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক হাদি হত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) ও আলমগীর হোসেনকে (৩৪) পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে নবনিযুক্ত আইজিপি বলেন, ‘পুলিশের দুর্নামের জন্য কতিপয় পুলিশ সদস্য দায়ী। পদোন্নতি, পদায়নে কোনো ধরণের স্বজনপ্রীতি হবে না। পুলিশে সৎ ও যোগ্য লোক থাকবে। দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো। পুলিশের পক্ষ থেকে কেউ অতি উৎসাহী হবে না, ন্যায়বিচারে কাজ করবে।’
পুলিশপ্রধানের দায়িত্ব দেওয়ায় সরকার ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে ধন্যবাদ জানিয়ে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, ‘সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত সব অপরাধীর বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘পুলিশের পক্ষ থেকে একটি সন্ত্রাসী তালিকা ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। ওই তালিকার ভিত্তিতে শিগগিরই দেশব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান শুরু করা হবে, যাতে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যায়।’