সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ঢাকা
ফন্টসাইজ A- A A+
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
জাতীয়

সাহেদসহ ৬ আসামির মামলায় সাক্ষ্য পেছাল

স্বদেশ বানী ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯-১০-২০২৬, ০৫:১৮ PM
০ বার পঠিত
সাহেদসহ ৬ আসামির মামলায় সাক্ষ্য পেছাল

রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদসহ ছয় আসামির বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে গেছে। কোনো সাক্ষী আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় আগামী ৪ অক্টোবর সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন এ আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের উচ্চমান বেঞ্চ সহকারী মিয়া জাহিদুল ইসলাম জানান, এদিন মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে কোনো সাক্ষী হাজির না হওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রসিকিউটর মো. নূরে আলম সময় চেয়ে আবেদন করেন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে নতুন তারিখ দেন।

মামলায় সাহেদ ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, সাবেক পরিচালক আমিনুল হাসান, উপ-পরিচালক ডা. ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক শফিউর রহমান এবং গবেষণা কর্মকর্তা দিদারুল ইসলাম।

দুদকের মামলার অভিযোগে বলা হয়, রিজেন্ট হাসপাতালের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও প্রতিষ্ঠানটিকে করোনা চিকিৎসা ও নমুনা সংগ্রহের কাজে যুক্ত করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সরকারি অর্থ আত্মসাতের সুযোগ তৈরি করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, লাইসেন্স নবায়ন না করা রিজেন্ট হাসপাতালকে ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে রূপান্তর, এ বিষয়ে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) করা এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান নিপসমের ল্যাবে রিজেন্টের মাধ্যমে কোভিড রোগীদের নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ৩ হাজার ৯৩৯ জন কোভিড রোগীর নমুনা বিনামূল্যে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হলেও নমুনা পরীক্ষার জন্য রোগীপ্রতি ৩ হাজার ৫০০ টাকা করে মোট ১ কোটি ৩৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া হয়।

এছাড়া রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর ও উত্তরা শাখার চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ডবয় ও অন্যান্য কর্মীদের মাসিক খাবার খরচ বাবদ ১ কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার টাকার চাহিদা তৈরি করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী মামলাটি করেন। মামলায় শুরুতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদের নাম ছিল না। তদন্তে তার সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়ার পর অভিযোগপত্রে তাকে আসামি করা হয়।

২০২২ সালের ১২ জুন ছয় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচার শুরু হয়। এ পর্যন্ত মামলায় ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

লিংক কপি হয়েছে