ফজলুর রহমান, বাগাতিপাড়া published: ২৭ অক্টোবর, ২০২৫, ০৫:৩৫ পিএম

নাটোরের বাগাতিপাড়ায় ভিন্ন কৌশলে কামরুল নামের সাথে জামায়াত নেতা ট্যাগ দিয়ে নিউজ প্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী নিজেই পাশাপাশি এমন ন্যাক্কারজনক নিউজের কারনে প্রতিবাদ জানিয়েছেন জামায়াত।
গত শনিবার (২৫ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার তমালতলার নূরপুর চকপাড়া এলাকায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মুহাম্মদ কামরুল ইসলাম জানান, গত ২৪ অক্টোবর দৈনিক কালেরকন্ঠসহ একাধিক অনলাইন পোর্টালে তাকে জামায়াত নেতা হিসেবে উল্লেখ করে জমি দখলের অভিযোগে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়। সংবাদে জানানো হয় একই গ্রামের শিখা বেগম তার বিরুদ্ধে ইউএনওর কছে ভিপি জমি দখলের অভিযোগ দেন এবং পরে সংবাদ সম্মেলন করেন।
অপরদিকে সংবাদ সম্মেলনে ওই ভিপি জমির মালিক মতিউর রহমান মধু জানান, এই জমিটি (ভিপি) যুগ যুগ ধরে লিজ নিয়ে আমি বসবাস করছি, তারা আমার নামে এবং প্রতিবেশী মুহাম্মদ কামরুল ইসলামের নামে জামায়াত নেতা নামে ভুয়া তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন।
এ ব্যাপারে বাগাতিপাড়া জামায়াতে পৌর প্রশাসনিক সম্পাদক এস এম হাসান জাহিদ বাবু বলেন,সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে কোথায় জামায়াত নেতা কামরুল বা কামরুলের রাজনৈতিক কোন পরিচয় ছিলো না, মুলত সেখানে দীর্ঘ দিন ধরে জমি নিয়ে বিবাদ ছিলো সেই বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে করেন শিখা নামে একজন মহিলা, সংবাদ সম্মেলন চলাকালীন কোন এক সাংবাদিক কামরুলের পরিচয় জানতে চাইলে শিখা সাংবাদিকদের বলেন, ফিলোন এনজিও এবং সে জামায়ত করে, মুলত কামরুলকে তিনি জামায়াতের নেতা বলেননি,লিখিত বক্তব্যবেও কোথায় জামায়াত বলে দাবী করেনি, কিন্তু মাত্র ২/১ জন সাংবাদিক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান দেশে জনপ্রিয়তা দেখে কামরুলকে জামায়াত নেতা বলে বিভিন্ন মিডিয়ায় নিউজ প্রকাশ করেন, প্রকৃতি পক্ষে সেই সাংবাদিকে সাথে কামরুলের ব্যাক্তিগত কোন আক্রোশ ও থাকতে পারে, আমরা এছাড়াও লক্ষ্য করেছি যে সাংবাদিকরা এই নিউজ করেছে সে নিষিদ্ধ ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের পদবীধারী নেতা ছিলেন। সুতরাং এটা জামায়াতকে নিয়ে নিছক মিথ্যাচার ছাড়া কিছুই না।
এব্যাপারে উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা এ কে এম আফজাল হোসেন বলেন, “আমরা সব সময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে। সে যেই অন্যায় করুক না কেন, আমরা তার প্রতিবাদ করব।”
এ বিষয়ে নাটোর জেলা জামায়াতের আমির ড. মীর নুরুল ইসলাম বলেন, “কামরুল ইসলাম বর্তমানে জামায়াতের কেউ নন। তিনি জেলা, উপজেলা, ওয়ার্ড বা কোনো ইউনিটের দায়িত্বশীলও নন। যদি কোনো অনিয়মে জড়িত থাকেন, তার দায়ভার তাকেই নিতে হবে।”
কামরুল ইসলামকে সংবাদ সম্মেলনের সময় জেলা জামায়াতের আমিরের বক্তব্যকে ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি সত্যতা স্বীকার করে বলেন তিনি চাকরীর কারনে ২০১৫ সাল থেকেই ঢাকায় থাকেন জামায়াতের সাথে কোন সম্পর্ক নেই, তবে তিনি নিজেকে জামায়াতের সমর্থক/ভোটার বলে দাবী করেন।