স্বদেশ বানী ডেস্ক published: ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০২:১৫ পিএম

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ-ভারতের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোলে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার স্বাভাবিকভাবে চলছে। বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, ধর্মীয় এ ছুটিতে বন্দরের পণ্য খালাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকলেও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট খোলা রয়েছে। ফলে যাত্রীরা নির্বিঘ্নে বেনাপোল-পেট্রাপোল দিয়ে ভারত যাওয়া-আসা করতে পারছেন।
বেনাপোল স্থলবন্দরের তথ্যমতে, এ বন্দরের মাধ্যমে প্রতিদিন গড়ে আড়াই হাজারেরও বেশি যাত্রী দুই দেশের মধ্যে পারাপার করেন। একই সঙ্গে প্রতিদিন ভারত থেকে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ ট্রাক পণ্য নিয়ে দেশে আসে এবং বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি হয়।
বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি শামছুজ্জামান বলেন, ‘সরকারি ছুটির কারণে আজ শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) কোনো ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম হয়নি। তবে আগামীকাল থেকে যথারীতি পণ্য পরিবহন ও খালাস স্বাভাবিকভাবে চলবে।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, ‘প্রতি সরকারি ছুটির দিনেই আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রাখা হয়। তবে যাত্রী পারাপার কার্যক্রম সচল থাকে, যাতে সীমান্তে ভ্রমণকারীদের কোনো ভোগান্তি না হয়। আজ শনিবার সরকারি ছুটি থাকায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে বন্দরে পণ্য খালাস শেষে ভারতীয় খালি ট্রাকগুলো ফিরে যেতে পারবে।
আগামীকাল রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে পুনরায় বাণিজ্য চালু হবে।’
বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লতা বলেন, ‘বারবার এভাবে হঠাৎ ছুটি হলে আমদানিকারক ও রপ্তানিকারক উভয়পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হন। আমদানিকৃত নিত্যপণ্য ও কাঁচামাল সময়মতো না পৌঁছলে শিল্প-কারখানা উৎপাদনেও প্রভাব পড়ে।’
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ওসি ইলিয়াস হোসেন মুন্সী বলেন, ‘বন্দরে বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও পাসপোর্টযাত্রী পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে। বাংলাদেশ-ভারত দুই দেশের নাগরিকরা স্বাভাবিক নিয়মে যাতায়াত করছেন।